১৪ তারিখ বিকেলবেলা বাসায় ফিরার সময় বাসের
পাশের সিটে বসা মেয়েটাকে দেখে খুব চিন্তিত মনে হচ্ছিলো তাই বললামঃ
- কোথায় যাচ্ছেন?
মেয়েটা কেমন করে যেনো তাকালো।
আমি আবারো জিজ্ঞেস করলামঃ
- কোথায় যাচ্ছেন?
- বয়ফ্রেন্ডের বাসায়।
- কেনো? বাসায় কেনো?
- খুব জ্বর তার।
মেয়েটার কথা শুনে একটা দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরলো আমাকে।
বয়ফ্রেন্ডের বাসায় যাওয়া মোটেও খুব ভালো কথা নয়।
মেয়েটা সরল দেখেই বুঝা যাচ্ছে নইলে অজানা একটা লোককে কেনোই বা সত্তি কথা বলতে যাবে।
মেয়েটা দেখতে সুন্দর তাই বয়ফ্রেন্ড থাকারই কথা।
কিন্তু কেনো যানি মনে হচ্ছে বয়ফ্রেন্ড ছেলেটা খুব ধরিবাজ।
যাই হোক এসব ভেবে আমার কোনো কাজ নেই।আমি বাসায় ফিরতে পারলেই হলো।
.
বাস থেকে নেমে বাসার দিকে পা বাড়ালাম।
মেয়েটা সামনের গলিতে ঢুকে গেলো। বয়ফ্রেন্ড কি ওইদিকে থাকে? তাহলে তো দেখতেই হচ্ছে ব্যাপারটা। মেয়েটার যদি কোনো বিপদ হয় এই ভয়েই পিছু নিলাম মেয়েটার।
মেয়েটা মাথা নিচু করে হাটতাছে।
আমি তার থেকে বেশ কিছুটা দুরে যাতে দেখতে না পায়।
১৩ নাম্বার গলির ১৪ নাম্বার বাড়িতে ঢুকে গেলো মেয়েটা।
এটাতো ভাড়া বাসা। তার মানে কি? ছেলেটা বাসায় একা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে।
এইবার চিন্তাটা আরো বেড়ে গেলো।
বাসায় ঢুকবোনা ভেবেও ঢুকেই পড়লাম।
দাড়োয়ান মামা ঢুকতে দিবেনা শেষমেষ পকেটে থাকা শেষ ব্যানসন সিগারেটটাও তাকে দিয়ে দিলাম। তারপর বাসায় ঢুকলাম। মেয়েটা খুব তারাতারি উঠে গেলো।
একটু রুমে ঢুকে গেলো হুট করে। আমি ভিতরে ঢুকলাম না।
দরজায় কান পাতলাম।
.
- বাবু তোমার জ্বর আর তুমি মেডিসিন নাওনি কেনো?
- তুমি আসছো সব ঠিক হয়ে গেছে।
- আমি তোমার জন্য ঔষুধ নিয়ে আসছি। এখন খাবা তারপর ঘুমাবা।
- উহু ঔষুধ লাগবেনা তুমি আমার পাশে বসে থাকো তাতেই হবে।
- এইটা বললে হবেনা।তুমি ঔষুধ না খেলে আর তোমার সাথে কথাই বলবোনা।
.
প্রেমিক প্রেমিকার মিষ্টি প্রেম দেখে আমার আর সহ্য হচ্ছিলোনা। নিচের দিকে নামার জন্য পা বাড়াতেই মেয়েটার চিৎকারের শব্দ শুনলাম।
দৌড়ে উপরে উঠে রুমে ঢুকে পড়লাম।
মেয়েটা আমাকে দেখে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরলো।
বুঝতে পারছিনা কি করবো।
তবে এটুকু বুঝতে পারতাছি মেয়েটা খুব ভয় পাইছে।
.
- তুই কে? যা এখান থেকে বলছি নয়তো ভালো হবেনা।
- আমি কে? সালা জ্বরের অভিনয় করে গার্লফ্রেন্ডকে বাসায় নিয়ে এসে ছি তোর মতো ছেলের জন্য আজ সব ছেলেদের খারাপ কথা শুনতে হয়।
.
মেয়েটাকে নিয়ে বেরিয়ে আসলাম।
মেয়েটা এখনো ভয়ে কাপতাছে। নিজেকে কেমন জানি নায়ক নায়ক মনে হচ্ছে। মেয়েটা আমার হাত শক্ত করে ধরে আছে।
চোখে মুখে ভয়ের ছাপ তবুও বুঝা যাচ্ছে প্রচন্ড ঘৃনায় তার শরির জ্বলে যাচ্ছে।
.
মেয়েটাকে বাসে তুলে দিয়ে আমিও বাসায় চলে আসলাম।
কি জানি কি চলছে মেয়েটার মনে তবে আমার মনেও খুব ভালো কিছু চলছেনা। মেয়েটাকে দেখার পর কেমন জানি অস্থির অস্থির লাগতাছে। প্রথম প্রেমে ছেকা খাওয়ার পর আর সিগারেট ছাড়া কাওকে আপন করে নেইনি। তবে মনে হচ্ছে এইবার সেটা হবে।
বাসায় ফিরে গোসল করলাম।
তারপর খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে গেলাম।
.
পরের দিন অফিসে গেলাম। ওহ আমি সানভি। ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে বর্তমানে চাকরি করতাছি। অফিসে বসে কাজ করতাছি এমন সময় এক স্টাফ এসে বললোঃ
- আপনার সাথে কেও দেখা করতে এসেছে।
- তুমি যাও আমি আসছি।
.
আমার সাথে আবার কে দেখা করতে আসবে।
গিয়ে দেখি কে আসলো।
উত্তেজনা কাজ করছে ভিতরে মনে হচ্ছে সেই মেয়েটাই এসেছে। গিয়ে দেখি যা ভাবছি তাই মেয়েটা এসে বসে আছে,
- আপনি এখানে??
- হ্যা ধন্যবাদ জানাতে আসলাম।
- আরে না ধন্যবাদ দেওয়া লাগবোনা শুধু এটুকু মনে রাখলেই হলো যে বয়ফ্রেন্ডের খালি বাসায় যাওয়া উচিত না। কখনোই না।
- জ্বি ধন্যবাদ।
- কিন্তু আপনি আমার অফিসে কিভাবে?
- আপনার কার্ড কালকে বাসে পেয়েছিলাম তাই চলে আসলাম।
- আপনি কোথায় থাকেন?
- ধানমন্ডি।
- চা খাবেন নাকি কফি?
- আজকে কিছুই খাবোনা আমি উঠি দেখা হবে আরেকদিন।
- আচ্ছা।
।
মেয়েটা চলে গেলো কিন্তু মনে হচ্ছে আবারো প্রেমে পড়ে গেছি তার। কিন্তু কিভাবে বলবো। ধুরর কি সব ভাবছি এখনই বলা লাগবো নাকি দেখাই যাক কি হয়।
রাতে বাসায় ফিরে রেস্ট নিতাছি এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো,
- হ্যালো কে বলছেন?
- অর্ষি।
- অর্ষি কে? আমি কি আপনাকে চিনি?
- আমি সেই মেয়ে যাকে কালকে....
- ওহ মনে পড়ছে। সরি আপনার নাম জানিনা তাই চিনতে পারিনি।
- সমস্যা নাই এখন তো চিনে নিলেন।
- হুমম।
- দেখা করা যাবে কালকে?
- হুম অবশ্যই।
তারপর ফোনে কথা।
তারপর দেখা করতে যাওয়া। এরপর বন্ধুত্ব আরো কত কি।
প্রতিদিন ঘুরাঘুরি করা একসাথে থাকা। অনেক কিছু। বলতে গেলে খুব ভালো বন্ধু হয়ে গেছি।
বাসা থেকে বিয়ের জন্য চাপ দিতাছে। সবাই বলে বিয়ে কর বিয়ে কর।
মেয়েটার সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব তবে কখনো ভালোবাসি বলা হয়নি।
ভাবতাছি কালকে বলে দেইই সাথেথে বিয়ের প্রস্তাবটাও দিয়ে দিবো।
.
বিকেলবেলা অর্ষির সাথে দেখা করতে গেলাম।
মেয়েটা কি যেনো বলবে বলছে। আমারও তো অনেক কিছু বলার আছে।
তাই একটু আগেই বের হলাম। মেয়েটার সাথে দেখা করতে হবে সব কথা বলতে হবে। ও যখন শুনবে আমি ওকে ভালোবাসি তখন ওর রিয়েকশন টা কেমন হবে এটা ভাবতেই উত্তেজনা লাগছে।।তবে মনে হয় রাজি হবে। ও তো আমার খুব ভালো বন্ধু আমার মনে হয় ও নিজেও আমাকে ভালোবাসে। দেখাই যাক কি হয়।
.
এক ঘন্টা ধরে বসে আছি অর্ষির দেখা নেই।
আসলে আগে চলে আসছি আসবেই কি করে।
কিছুক্ষন পর মেয়েটা আসলো।
- বলো কি বলবা।
আমারর যেনো আর তর সইছে না তার কথা শোনার জন্য।
- তেমারটা আগে বলো।
- উহু লেডিস ফার্স্ট।
- আচ্ছা শুনো আমি আজকে খুব খুশি।
- এতো খুশি থাকার কারন?
- আমান সরি বলছে আমাকে সবকিছুর জন্য আর ও আমাকে বিয়ে করবে বলছে। আগামি ১০ তারিখ আমার বিয়ে তুমি আসবা এই নাও কার্ড।
.
- কি হলো ধরো।
- ওহ হ্যা দাও। কনগ্রাটস।
- তুমি কি জানি বলবা?
- আমি কি জানি বলবো? ভুলে গেছি তুমি এতো বড় খুশির খবর দিলা মনে থাকার কি কথা?
- ওহ আচ্ছা আরেকদিন বইলো। আমাকে এখন যেতে হবে। বাসায় অনেক কাজ।
- আচ্ছা যাও।
।
নিজের অজান্তেই চোখের কোনে দু ফোটা জল চলে আসলো। মেয়েটা চলে যাওয়া পর্যন্ত চোখ রাখলাম তার চলে যাওয়ার দিকে।
বাসায় ফিরতাছি মনের মধ্যে আর কোনো কষ্ট নেই শুধু একটাই কথা মাথায় ঘুরতাছে।
অর্ষির বিয়ের দাওয়াতটা মিস দিলে চলবেনা।
📒 মায়াবতীর ডায়েরি...
পাশের সিটে বসা মেয়েটাকে দেখে খুব চিন্তিত মনে হচ্ছিলো তাই বললামঃ
- কোথায় যাচ্ছেন?
মেয়েটা কেমন করে যেনো তাকালো।
আমি আবারো জিজ্ঞেস করলামঃ
- কোথায় যাচ্ছেন?
- বয়ফ্রেন্ডের বাসায়।
- কেনো? বাসায় কেনো?
- খুব জ্বর তার।
মেয়েটার কথা শুনে একটা দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরলো আমাকে।
বয়ফ্রেন্ডের বাসায় যাওয়া মোটেও খুব ভালো কথা নয়।
মেয়েটা সরল দেখেই বুঝা যাচ্ছে নইলে অজানা একটা লোককে কেনোই বা সত্তি কথা বলতে যাবে।
মেয়েটা দেখতে সুন্দর তাই বয়ফ্রেন্ড থাকারই কথা।
কিন্তু কেনো যানি মনে হচ্ছে বয়ফ্রেন্ড ছেলেটা খুব ধরিবাজ।
যাই হোক এসব ভেবে আমার কোনো কাজ নেই।আমি বাসায় ফিরতে পারলেই হলো।
.
বাস থেকে নেমে বাসার দিকে পা বাড়ালাম।
মেয়েটা সামনের গলিতে ঢুকে গেলো। বয়ফ্রেন্ড কি ওইদিকে থাকে? তাহলে তো দেখতেই হচ্ছে ব্যাপারটা। মেয়েটার যদি কোনো বিপদ হয় এই ভয়েই পিছু নিলাম মেয়েটার।
মেয়েটা মাথা নিচু করে হাটতাছে।
আমি তার থেকে বেশ কিছুটা দুরে যাতে দেখতে না পায়।
১৩ নাম্বার গলির ১৪ নাম্বার বাড়িতে ঢুকে গেলো মেয়েটা।
এটাতো ভাড়া বাসা। তার মানে কি? ছেলেটা বাসায় একা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে।
এইবার চিন্তাটা আরো বেড়ে গেলো।
বাসায় ঢুকবোনা ভেবেও ঢুকেই পড়লাম।
দাড়োয়ান মামা ঢুকতে দিবেনা শেষমেষ পকেটে থাকা শেষ ব্যানসন সিগারেটটাও তাকে দিয়ে দিলাম। তারপর বাসায় ঢুকলাম। মেয়েটা খুব তারাতারি উঠে গেলো।
একটু রুমে ঢুকে গেলো হুট করে। আমি ভিতরে ঢুকলাম না।
দরজায় কান পাতলাম।
.
- বাবু তোমার জ্বর আর তুমি মেডিসিন নাওনি কেনো?
- তুমি আসছো সব ঠিক হয়ে গেছে।
- আমি তোমার জন্য ঔষুধ নিয়ে আসছি। এখন খাবা তারপর ঘুমাবা।
- উহু ঔষুধ লাগবেনা তুমি আমার পাশে বসে থাকো তাতেই হবে।
- এইটা বললে হবেনা।তুমি ঔষুধ না খেলে আর তোমার সাথে কথাই বলবোনা।
.
প্রেমিক প্রেমিকার মিষ্টি প্রেম দেখে আমার আর সহ্য হচ্ছিলোনা। নিচের দিকে নামার জন্য পা বাড়াতেই মেয়েটার চিৎকারের শব্দ শুনলাম।
দৌড়ে উপরে উঠে রুমে ঢুকে পড়লাম।
মেয়েটা আমাকে দেখে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরলো।
বুঝতে পারছিনা কি করবো।
তবে এটুকু বুঝতে পারতাছি মেয়েটা খুব ভয় পাইছে।
.
- তুই কে? যা এখান থেকে বলছি নয়তো ভালো হবেনা।
- আমি কে? সালা জ্বরের অভিনয় করে গার্লফ্রেন্ডকে বাসায় নিয়ে এসে ছি তোর মতো ছেলের জন্য আজ সব ছেলেদের খারাপ কথা শুনতে হয়।
.
মেয়েটাকে নিয়ে বেরিয়ে আসলাম।
মেয়েটা এখনো ভয়ে কাপতাছে। নিজেকে কেমন জানি নায়ক নায়ক মনে হচ্ছে। মেয়েটা আমার হাত শক্ত করে ধরে আছে।
চোখে মুখে ভয়ের ছাপ তবুও বুঝা যাচ্ছে প্রচন্ড ঘৃনায় তার শরির জ্বলে যাচ্ছে।
.
মেয়েটাকে বাসে তুলে দিয়ে আমিও বাসায় চলে আসলাম।
কি জানি কি চলছে মেয়েটার মনে তবে আমার মনেও খুব ভালো কিছু চলছেনা। মেয়েটাকে দেখার পর কেমন জানি অস্থির অস্থির লাগতাছে। প্রথম প্রেমে ছেকা খাওয়ার পর আর সিগারেট ছাড়া কাওকে আপন করে নেইনি। তবে মনে হচ্ছে এইবার সেটা হবে।
বাসায় ফিরে গোসল করলাম।
তারপর খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে গেলাম।
.
পরের দিন অফিসে গেলাম। ওহ আমি সানভি। ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে বর্তমানে চাকরি করতাছি। অফিসে বসে কাজ করতাছি এমন সময় এক স্টাফ এসে বললোঃ
- আপনার সাথে কেও দেখা করতে এসেছে।
- তুমি যাও আমি আসছি।
.
আমার সাথে আবার কে দেখা করতে আসবে।
গিয়ে দেখি কে আসলো।
উত্তেজনা কাজ করছে ভিতরে মনে হচ্ছে সেই মেয়েটাই এসেছে। গিয়ে দেখি যা ভাবছি তাই মেয়েটা এসে বসে আছে,
- আপনি এখানে??
- হ্যা ধন্যবাদ জানাতে আসলাম।
- আরে না ধন্যবাদ দেওয়া লাগবোনা শুধু এটুকু মনে রাখলেই হলো যে বয়ফ্রেন্ডের খালি বাসায় যাওয়া উচিত না। কখনোই না।
- জ্বি ধন্যবাদ।
- কিন্তু আপনি আমার অফিসে কিভাবে?
- আপনার কার্ড কালকে বাসে পেয়েছিলাম তাই চলে আসলাম।
- আপনি কোথায় থাকেন?
- ধানমন্ডি।
- চা খাবেন নাকি কফি?
- আজকে কিছুই খাবোনা আমি উঠি দেখা হবে আরেকদিন।
- আচ্ছা।
।
মেয়েটা চলে গেলো কিন্তু মনে হচ্ছে আবারো প্রেমে পড়ে গেছি তার। কিন্তু কিভাবে বলবো। ধুরর কি সব ভাবছি এখনই বলা লাগবো নাকি দেখাই যাক কি হয়।
রাতে বাসায় ফিরে রেস্ট নিতাছি এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো,
- হ্যালো কে বলছেন?
- অর্ষি।
- অর্ষি কে? আমি কি আপনাকে চিনি?
- আমি সেই মেয়ে যাকে কালকে....
- ওহ মনে পড়ছে। সরি আপনার নাম জানিনা তাই চিনতে পারিনি।
- সমস্যা নাই এখন তো চিনে নিলেন।
- হুমম।
- দেখা করা যাবে কালকে?
- হুম অবশ্যই।
তারপর ফোনে কথা।
তারপর দেখা করতে যাওয়া। এরপর বন্ধুত্ব আরো কত কি।
প্রতিদিন ঘুরাঘুরি করা একসাথে থাকা। অনেক কিছু। বলতে গেলে খুব ভালো বন্ধু হয়ে গেছি।
বাসা থেকে বিয়ের জন্য চাপ দিতাছে। সবাই বলে বিয়ে কর বিয়ে কর।
মেয়েটার সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব তবে কখনো ভালোবাসি বলা হয়নি।
ভাবতাছি কালকে বলে দেইই সাথেথে বিয়ের প্রস্তাবটাও দিয়ে দিবো।
.
বিকেলবেলা অর্ষির সাথে দেখা করতে গেলাম।
মেয়েটা কি যেনো বলবে বলছে। আমারও তো অনেক কিছু বলার আছে।
তাই একটু আগেই বের হলাম। মেয়েটার সাথে দেখা করতে হবে সব কথা বলতে হবে। ও যখন শুনবে আমি ওকে ভালোবাসি তখন ওর রিয়েকশন টা কেমন হবে এটা ভাবতেই উত্তেজনা লাগছে।।তবে মনে হয় রাজি হবে। ও তো আমার খুব ভালো বন্ধু আমার মনে হয় ও নিজেও আমাকে ভালোবাসে। দেখাই যাক কি হয়।
.
এক ঘন্টা ধরে বসে আছি অর্ষির দেখা নেই।
আসলে আগে চলে আসছি আসবেই কি করে।
কিছুক্ষন পর মেয়েটা আসলো।
- বলো কি বলবা।
আমারর যেনো আর তর সইছে না তার কথা শোনার জন্য।
- তেমারটা আগে বলো।
- উহু লেডিস ফার্স্ট।
- আচ্ছা শুনো আমি আজকে খুব খুশি।
- এতো খুশি থাকার কারন?
- আমান সরি বলছে আমাকে সবকিছুর জন্য আর ও আমাকে বিয়ে করবে বলছে। আগামি ১০ তারিখ আমার বিয়ে তুমি আসবা এই নাও কার্ড।
.
- কি হলো ধরো।
- ওহ হ্যা দাও। কনগ্রাটস।
- তুমি কি জানি বলবা?
- আমি কি জানি বলবো? ভুলে গেছি তুমি এতো বড় খুশির খবর দিলা মনে থাকার কি কথা?
- ওহ আচ্ছা আরেকদিন বইলো। আমাকে এখন যেতে হবে। বাসায় অনেক কাজ।
- আচ্ছা যাও।
।
নিজের অজান্তেই চোখের কোনে দু ফোটা জল চলে আসলো। মেয়েটা চলে যাওয়া পর্যন্ত চোখ রাখলাম তার চলে যাওয়ার দিকে।
বাসায় ফিরতাছি মনের মধ্যে আর কোনো কষ্ট নেই শুধু একটাই কথা মাথায় ঘুরতাছে।
অর্ষির বিয়ের দাওয়াতটা মিস দিলে চলবেনা।
📒 মায়াবতীর ডায়েরি...
Sign up here with your email
ConversionConversion EmoticonEmoticon